ঢাকা - আগস্ট ১৬, ২০২২ : ১ ভাদ্র, ১৪২৯

ওয়ানডেতে সাফল্য ধরে রাখতে চায় টাইগাররা

নিউজ ডেস্ক
আগস্ট ০৫, ২০২২ ০৭:৩১
২৮ বার পঠিত

টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ফরমেটে খরা কাটছে না বাংলাদেশের। তবে ওয়ানডে ফরমেটে ব্যতিক্রম টাইগাররা। সম্প্রতি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জয় করেছে বাংলাদেশ। সে জয়ের ধারাবাহিকতা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বজায় রাখতে চায় টাইগাররা। আজ দলটির বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে শুরু হতে যাওয়া ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে টি-স্পোর্টস চ্যানেলে।

২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর নয়টি দ্বিপাক্ষীক সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ। এরমধ্যে সাতটিতেই জিতেছে তারা। ২০১৯ সালে শ্রীলঙ্কা ও ২০২১ সালে নিউজিল্যান্ডের কাছে দু’টি সিরিজ হারে তারা। নিউজিল্যান্ডের কাছে হারের পর টানা পাঁচটি সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ।

শ্রীলঙ্কা-জিম্বাবুয়ে-আফগানিস্তান-দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জিতেছে টাইগাররা। তাই ওয়ানডেতে বাংলাদেশের শক্তি স্পষ্ট। জিম্বাবুয়ের কাছে বাংলাদেশ সিরিজ হারলে সেটি হবে বড় ধরনের অঘটন।

২০১৩ সালের পর থেকে জিম্বাবুয়ের কাছে কোনো সিরিজ হারেনি টাইগাররা। ওই বছর ঘরের মাঠে বাংলাদেশকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। এরপর থেকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচটি সিরিজ ও ত্রিদেশীয় সিরিজে দুটি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। সব ম্যাচে জিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টানা ১৯ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড গড়েছে টাইগাররা।

সব মিলিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত ৭৮টি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে ৫০টিতে জিতেছে টাইগাররা। হেরেছে ২৮টিতে।

জিম্বাবুয়ের কাছে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারকে অসম্মানজনক বলে অভিহিত করে খেলোয়াড়দের দিকে আঙ্গুল তুলেছেন দলের পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি জানান, দলের জয়ের জন্য ঝুঁকি নিয়ে না খেলে নিজের জায়গা ধরে রাখার জন্য খেলেছেন তারা।

সুজন বলেন, ‘জিম্বাবুয়ের কাছে হারব, আমি আশা করিনি। আমরা তাদের চেয়ে ভালো দল। আমি এটাকে অপমানজনক বলব।’

খালেদ মাহমুদ আরও বলেন, ‘যখন আমাদের প্রতি ওভারে ১০ বা ১২ রানের প্রয়োজন ছিল, ওই সময় প্রতি ওভারে ছয় বা সাত করে রান নিয়েছি। কেউ ছক্কা মারার চেষ্টাও করেনি। সকলেই এক-দুই রানের জন্য খেলেছিল। নিজেদের জায়গা রক্ষা করার মতো ব্যাটিং করেছিল তারা।’

বাংলাদেশ একাদশ (সম্ভাব্য):

তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), লিটন দাস (উইকেট রক্ষক), এনামুল হক বিজয়, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসাইন, মেহেদি হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ।

জিম্বাবুয়ে দল:

রেগিস চাকাভা (অধিনায়ক, উইকেটরক্ষক), তানাকা চিভাঙ্গা, লুক জংওয়ে, ইনোসেন্ট কাইয়া, ওয়েসলি মাধভের, তাদিওয়ানশে মারুমানি, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, টনি মুনিয়োঙ্গা, রিচার্ড এনগারাভা, ভিক্টর নিয়াউচি, সিকান্দার রাজা, মিল্টন শুম্বা ও শিন উইলিয়ামস।



মন্তব্য