ঢাকা - জুন ৩০, ২০২২ : ১৬ আষাঢ়, ১৪২৯

গড়ে উঠবে নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল

নিউজ ডেস্ক
জুন ২৩, ২০২২ ০০:০০
৬২ বার পঠিত

পদ্মা সেতুকে ঘিরে নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাইটেক পার্ক গড়ে উঠবে। উদ্বোধনের পরে ওই অঞ্চলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে এবং দেশের শিল্পায়নের গতি ত্বরান্বিত হবে। সেতুর দুপারে পর্যটন শিল্পেরও ব্যাপক প্রসার ঘটবে। এ সেতু এশিয়ান হাইওয়ের সঙ্গে সংযোগের একটা বড় লিংক। এ সেতু জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ১ দশমিক দুই-তিন শতাংশ অবদান রাখবে। শুধু তাই নয়, প্রতি বছর দশমিক আট-চার শতাংশ দারিদ্র্য নিরসন হবে। পাশাপাশি দক্ষিণের ২১ জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার সরকারির যোগাযোগ হবে। বুধবার (২২ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পদ্মা সেতু নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এসব বিষয় জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংবাদ সম্মেলনে সিলেট অঞ্চলের ভয়াবহ বন্যা নিয়েও কথা বলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। আগামী ২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের দিনে নির্ধারণ করা আছে।

পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‌২০১২ সালের ৯ জুলাই মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে নিজস্ব অর্থায়নে এ সেতু নির্মাণের ঘোষণা দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ সেতুর জন্য তাদের অর্থ না নেওয়ার কথাও জানিয়ে দেওয়া হয়। এরপর দেশের একশ্রেণির বুদ্ধিজীবী এবং অর্থনীতিবিদরা মনগড়া সমালোচনায় মেতে উঠেছিল। তিনি জানান, সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে এ সেতু নির্মাণ করা হয়েছে, কাজের গুণগত মানে কোনও আপস করা হয়নি। বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও উপকরণ দিয়ে এ সেতু নির্মিত হয়েছে। সর্বোচ্চ ১২২ মিটার গভীর পর্যন্ত পাইল বসানো হয়েছে। ভূমিকম্প প্রতিরোধ বিবেচনায় ব্যবহৃত হয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি।

শেখ হাসিনা জানান, বহুমুখী এ সেতুর ওপরের ডেক দিয়ে যানবাহন এবং নিচের ডেক দিয়ে ট্রেন চলাচল করবে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন হওয়ায় এ অঞ্চলের মানুষের একদিকে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব হবে। অন্যদিকে অর্থনীতি হবে বেগবান। দেশের মানুষের সহযোগিতার জন্যই আজ পদ্মা সেতু মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে, আর তাই দেশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করের প্রধানমন্ত্রী।

এমকে



মন্তব্য