ঢাকা - মে ২৮, ২০২২ : ১৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯

হতাশ বিনিয়োগকারীরা

নিউজ ডেস্ক
মে ১৪, ২০২২ ০০:০০
৩৬ বার পঠিত

শেয়ারদর যেমন কমেছে, তেমনি কমের এ তালিকায় ছিল- সূচক আর বাজার মূলধন। গত সপ্তাহের শেষ তিন এভাবেই পার করেছে দেশের শেয়ার বাজার। শুধু গত সপ্তাহেই নয়, ঈদের আগেও ছিল অব্যাহত দরপতন। ঈদের ছুটির পর প্রথম কার্যদিবসেই সূচকে নেতিবাচক প্রবণতার হাওয়া লাগে। এদিনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রায় ১৩ পয়েন্ট হ্রাস পায় প্রধান সূচক ডিএসই-এক্স। এদিকে অব্যাহত দরপতনে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ইউক্রেন-রাশিয়া ইস্যু ও শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি দেউলিয়ার ঘটনায় বিদেশি বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি করছেন। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা বিও অ্যাকাউন্ট থেকেও শেয়ার বিক্রির ঘটনা ঘটেছে। এদিকে বিদেশিদের দেখাদেখি দেশের বিনিয়োগকারীরাও শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন। অব্যাহতভাবে দরপতনের কারণ এটা।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, গত বৃহস্পতিবার (১২ মে) শেয়ার বিক্রির বেশি চাপ ছিল শেয়ার বাজারে। প্রধান সূচক ২৬ পয়েন্ট কমেছে। গত সপ্তাহের প্রথম দু‘দিন সূচক বৃদ্ধি হলেও মঙ্গলবার থেকে টানা পতনে শেষ হয়েছে সপ্তাহের লেনদেন।

এদিকে এক বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাব থেকে বড় অঙ্কের শেয়ার বিক্রির ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউসের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ বিও ২০১৮ সালে বন্ধ হয়ে যায়। গত বুধবার এ হিসাব থেকে ১২ কোটি ৫৭ লাখ টাকার সমমূল্যের তিনটি কোম্পানির (গ্রামীণফোন, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস ও ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি বা বিএটিবিসি) শেয়ার বিক্রি হয়।

বাজার তথ্য বলছে, গত সপ্তাহের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৩১ হাজার ১২ কোটি টাকায়। আগের সপ্তাহে এর পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৩৬ হাজার ৯৬১ কোটি টাকা। সে হিসাবে সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে ৫ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা। সপ্তাহজুড়ে লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১২৩টির, কমেছে ২২৭টির আর বাকি ৩৫টির অপরিবর্তিত রয়েছে। সূচক তিনটির মধ্যে ডিএসই-এক্স ৯০ দশমিক ২০, শরিয়াহ ১৪ দশমিক ৮১ ও ডিএসই-৩০ সূচক ৫৩ দশমিক ৮৫ পয়েন্ট কমেছে। আগের সপ্তাহে কমেছিল যথাক্রমে ৬ দশমিক ৭০, ১৭ দশমিক ৬৪ আর ১৭ দশমিক ৩১ পয়েন্ট। লেনদেন হয়েছে মোট পাঁচ হাজার ৩৯৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। আগের সপ্তাহে এর পরিমাণ ছিল চার হাজার ৫৭ কোটি ৯১ লাখ টাকা।

এমকে



মন্তব্য