ঢাকা - জুন ৩০, ২০২২ : ১৬ আষাঢ়, ১৪২৯

শাওয়ালের রোজা যেভাবে রাখবেন ডায়াবেটিস রোগীরা

নিউজ ডেস্ক
মে ১৩, ২০২২ ১১:৪১
৪৭ বার পঠিত

শাওয়াল মাসের ৬টি রোজা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এ রোজাগুলো রাখার চেষ্টা করে থাকেন। টানা একমাস রোজা রাখার পর অনেকেই এ রোজাগুলো রাখতে সাহস পান না। আবার নানা শারিরিক সমস্যার কারণেও রোজাগুলো রাখতে অনেকের সমস্যা হয়। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে সমস্যাটা আরো বেশি।

শাওয়ালের রোজা রাখার সময় ডায়াবেটিস রোগীদের ঘন ঘন রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা মেপে দেখতে হবে। কেননা ইফতারের আগে রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ মাপাটা বেশ উপকারী হতে পারে। প্রতিদিনের খাদ্যে পুষ্টিমান অন্যান্য সময়ের মতোই রাখার চেষ্টা করতে হবে। এ জন্য দরকার হলে পুষ্টিবিদের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।

শারীরিক শ্রম বা ব্যায়ামসহ স্বাভাবিক শারীরিক কর্মকাণ্ড চালানো যেতে পারে। তবে দিনের বেলা কঠোর শ্রম বা ব্যায়াম না করাই ভালো। রাতে নামাজ আদায়কে ব্যায়াম হিসেবে নেওয়া যেতে পারে।

ডায়াবেটিসের রোগীর রোজা রাখার সময় সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হবে খাদ্য ব্যবস্থাপনায়। সাহ্‌রির খাবার সাহ্‌রি শেষ হওয়ার অল্প কিছুক্ষণ আগে খাওয়া উচিত। ইফতারের সময় অধিক পরিমাণে মিষ্টি ও চর্বিজাতীয় খাবার খাওয়া যাবে না। ইফতারে খেজুর আদর্শ খাবার। বেশ ভালো হয় ডাবের পানি পান করলে। চিনিমুক্ত পানীয় বেছে নেওয়া ভালো।

রমজানের আগে যে পরিমাণ ক্যালরিযুক্ত খাবার খেতেন, রমজানে ক্যালরির পরিমাণ ঠিক রেখে খাবার সময় ও ধরন বদলাতে হবে। যারা দিনে একবার ডায়াবেটিসের ওষুধ (যেসব ওষুধ ইনসুলিন নিঃসরণ বাড়ায়) খান, তারা ইফতারের শুরুতে (রোজা ভাঙার সময়) সেটি খাবেন, তবে ডোজ একটু কমিয়ে নিতে হতে পারে। যারা দিনে একাধিকবার ডায়াবেটিসের ওষুধ খান, তারা সকালের মাত্রাটি ইফতারের শুরুতে এবং রাতের মাত্রাটির অর্ধেক পরিমাণে সাহ্‌রির আধা ঘণ্টা আগে খেতে পারেন।

অহনা



মন্তব্য