ঢাকা - জুলাই ২৪, ২০২১ : ৮ শ্রাবণ, ১৪২৮

পাহাড় ধসের শঙ্কায় বন্ধ, খুললো যানবাহনের চাপ কমাতে

নিউজ ডেস্ক
জুন ১৫, ২০২১ ২০:৫১
৭৬ বার পঠিত

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ করা হয়েছিল ৩ মাসের জন্য, কিন্তু খুলে দেয়া হলো ৭ দিনের মাথায়ই। পাহাড় ধসের আশঙ্কায় বন্ধ করা হলেও যানবাহনের মাত্রাতিরিক্ত চাপ কমাতে খুলে দেয়া হলো সড়কটি। ফলে মঙ্গলবার থেকে চট্টগ্রাম শহরের সাথে সীতাকুণ্ডের এ সংযোগ সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

৮ জুন থেকে সড়কটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(সিডিএ)। টানা বৃষ্টিতে সড়কটির আশপাশের একাধিক পাহাড় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর মধ্যে এ সড়কের দুই পাশের প্রায় সাড়ে ৩শ’ ঝুঁকিপূর্ণ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

সিডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস বলেন, পাহাড় ধসের শঙ্কা ও নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু এতে নগরীর জিইসি মোড়, দুই নম্বর গেট ও খুলশী এলাকায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। ফলে বিভিন্ন মহলের সুপারিশে পূনরায় যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। তিনি বলেন, সড়ক খুলে দেয়া হলেও এর দু’পাশের দোকানপাট বন্ধ থাকবে। সব ধরনের জনসমাগম নিষিদ্ধ থাকবে। এছাড়া সড়কটির মাঝখানে কিছু ঝুঁকিপূর্ণ জায়গা রয়েছে, সেখানের একটি অংশে কাজ চলছে। তাই ওই অংশের দুটি লেন বন্ধ থাকবে।

নগরীর প্রায় ১৬টি পাহাড় কেটে ৬ কিলোমিটারের এ সড়ক নির্মাণ করে সিডিএ। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফৌজদারহাট বাইপাস এলাকা থেকে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী পর্যন্ত এ সড়কে রয়েছে একটি রেলওয়ে ওভারব্রিজ, ছয়টি ব্রিজ ও বেশ কয়েকটি কালভার্ট। পরিবেশ অধিদফতর থেকে আড়াই লাখ ঘনফুট পাহাড় কাটার অনুমোদন নেয়া হলেও ১০ লাখ ৩০ হাজার ঘনফুট পাহাড় কেটে দশ কোটি টাকা জরিমানা গুনতে হয় সিডিএকে। এরপরও ঝুঁকিপূর্ণ খাড়া পাহাড়গুলো নতুন করে কাটার জন্য গত বছরের ২৩ মার্চ পরিবেশ অধিদফতরে চিঠি দিয়ে তিন লাখ ৩২ হাজার ঘনমিটার পাহাড় কাটার অনুমতি চেয়েছে সিডিএ। চিঠি পেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়গুলো কাটা ও সংরক্ষণের বিষয়ে সিডিএ’র কাছে বিশেষজ্ঞ মতামতসহ প্রতিবেদন চেয়েছে পরিবেশ অধিদফতর। এরপর সিডিএ’র প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে প্রকল্পটির পরিচালক ও চুয়েটের দুই শিক্ষকের সমন্বয়ে গঠন করা হয় চার সদস্যের কমিটি। প্রতিবেদনটি দ্রুত সময়ের মধ্যে জমা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন সিডিএর একজন কর্মকর্তা।

দিলীপ কুমার তালুকদার/এমকে



মন্তব্য