ঢাকা - জানুয়ারি ২১, ২০২১ : ৭ মাঘ, ১৪২৭

একদিকে পানি নেই, অন্যদিকে ঘন ঘন বন্যা

নিউজ ডেস্ক
জানুয়ারি ১৩, ২০২১ ১২:৫৪
৭৭ বার পঠিত

দখলের কারণে নদীর নাব্যতা কমে গেছে, পানি জমে যাচ্ছে। দেশের একদিকে পানি নেই, অন্যদিকে বন্যা হচ্ছে ঘন ঘন। নাব্যের জায়গাটি খুবই নাজুক অবস্থায় আছে। প্রতি বছর ড্রেজিং করার কথা থাকলেও খুব কম পরিমাণে ড্রেজিং হচ্ছে। ছয় ভাগের এক ভাগও ড্রেজিং হচ্ছে না। এই কথা জানিয়েছেন নদী কমিশনের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান হাওলাদার। মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন-২০১৯ প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

দখল প্রসঙ্গে নদী কমিশনের চেয়ারম্যান জানান- ব্রহ্মপুত্র, মেঘনা, শীতলক্ষ্যা, ধলেশ্বরী বড় বড় ব্যবসায়ীরা দখল করে রেখেছে। অনেক জায়গায় বড় বড় প্ল্যান্ট হয়েছে। বড় বড় কারখানা হয়েছে। ঢাকার আশপাশের ৭৭টি খালের প্রায় সব-ই দখল হয়ে গেছে। কিছু ব্রিজ হয়েছে নদী দখল করে। তিনি জানান, দেশের ৬৪ জেলায় এখন ৬৩ হাজার ২৪৯ জন দখলদার ও দূষণকারী রয়েছে। এরমধ্যে গত দুই বছরে ১৮ হাজার ৫৭৯ দখলদারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে।

দখল প্রতিরোধ সম্পর্কে তার ভাষ্য, নদীর বিষয়ে সবার সচেতনতার জায়গাটি আস্তে আস্তে বাড়ছে। অনেক আইন আছে। সেগুলোর মধ্যে কিছু খুব জটিল। ফলে অনেক সময় আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রেও অনেক জটিলতা হয়। পরিবেশের আইন দিয়ে আমরা পরিবেশের উন্নয়ন করে যাচ্ছি। আইনের যে জরিমানা তা যথেষ্ট নয়। শাস্তি প্রয়োগ করতে হবে। সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। কাজ করতে গিয়ে কোথাও সমস্যা হলে সেখানে শক্তভাবে কঠোর হাতে দখলদারকে উচ্ছেদ করতে হবে। তিনি জানান, নদীর দখল ও দূষণ রোধে আমরা অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে ২০০ কোটি টাকা চেয়েছে কমিশন। পাশাপাশি দুই প্রকল্পের প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে।

এমআই



মন্তব্য